দিনাজপুরের হিলিতে কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। ৩৫ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে। দেশে উৎপাদন এবং বাজারে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পেঁয়াজের দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে, খুশি ক্রেতা ও বিক্রেতাগণ।
শুক্রবার (৭ মার্চ) দুপুরে হিলির সবজি বাজার ঘুরে জানা যায়, প্রতিবছর রমজানে লাগামহীন বাড়তে শুরু করে পেঁয়াজের দাম।
রমজানে পেঁয়াজ একটি অতিপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী। এবার পেঁয়াজ বাজারের চিত্র আলাদা। দাম বৃদ্ধির পরিবর্তে তা একেবারে কমে গেছে। রোজার প্রথম দিন থেকে ৩৫ টাকা কেজি হিসেবে খুচরা বিক্রি হলেও বর্তমান তা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে। চলতি মৌসুমে দেশের উৎপাদিত অঞ্চলগুলোতে পেঁয়াজের ফলন হয়েছে। যার কারণে বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ নেই। এজন্য দেশের পাইকারি এবং খুচরা বাজারে একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম। কম দামে বাজারে পেঁয়াজ কিনতে পারায় স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন আয়ের মানুষের।
হিলি বন্দরের ছাদেক, আরিফসহ কয়েক শ্রমিক বলেন, প্রতিবছর রমজান মাসে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়ে থাকে এই বন্দরে। কিন্তু এবার ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করছেন না আমদানিকারকরা। তবে বাজারে দেশি পেঁয়াজ প্রচুর আমদানি হচ্ছে। আমাদের মতো সাধারণ দিনখাটা মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে।
বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা হোটেল ব্যবসায়ী রুবেল হোসেন বলেন, প্রতি বছর রমজানে ইফতার তৈরিতে বেশি প্রয়োজন পেঁয়াজের। হুহু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। কিন্তু এবার দাম কমে গেছে। এতে আমাদের ইফতার ব্যবসা ভাল হচ্ছে। ভাল মানের ইফতারও তৈরি করতে পারছি। পাশাপাশি লাভের মুখও দেখতে পাচ্ছি।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সাকিল হোসেন বলেন, এবার দেশি পেঁয়াজের দাম হাতের নাগালে। ২৫ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আমরা পাবনা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়াসহ নাটোর থেকে পেঁয়াজ পাইকারি কিনে আনছি। দাম কম হওয়াতে বেচাবিক্রি অনেক বেশি হচ্ছে।